![]() |
| অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মায়াঙ্ক : ছবি : সংগৃহীত |
ভারতে অন্যতম শো রিয়েলিটি কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রএক কোটি রুপি জিতলো। তার নাম নাম মায়াঙ্ক বচ্চনের এই শোতে প্রতিযোগী হিসেবে সব ছাইতে ছোট্ট হিসাবে রেকর্ড গড়েছে মায়াঙ্ক কোটি রুপি জিতে। এই বছর আগস্টে শুরু হয়েছে কেবিসির নতুন সিজন সম্প্রতি শুরু হয়েছে ‘জুনিয়র’ স্পেশাল উইক। সেখানে হরিয়ানা রাজ্যের মহেন্দ্রগড়ের ১৫ বছরের কিশোর জিতে নিয়েছেন কোটি রুপি।
হরিয়ানা প্রতিযোগী মায়াঙ্কের জ্ঞানে মুগ্ধ অমিতাভ বচ্চন। দেশ ও বিদেশে নানা ক্ষেত্র নিয়ে তার জ্ঞান তাক লাগিয়েছেন সবাইকে। দুর্দান্ত খেলে কোটিপতি হয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত মায়াঙ্ক ও। তার মা–বাবাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন খুদে এই প্রতিযোগী।
(সাবেক টুইটার) এ পর্বে একটি প্রমো এক্স-এ পোস্ট করেছেন সনি টিভি। সেখানে দেখা যায় আত্মবিশ্বাসী ও উচ্চাভিলাষী মায়াঙ্ক কোটি রুপি জিতে নিয়েছেন। ভিডিওতে প্রতিযোগীকে বলতে শোনা যায়,একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো মানুষের জ্ঞান।এ পোস্টে অমিতাভ মায়াঙ্কের মা ও বাবাকে তার নৈপূণ্য সম্পর্কে জানতে চান। স্কুলের শিক্ষকদেরও চাপে রাখে তার বাবা বলেন। ক্লাসের সে তার সহপাঠীর থেকে দুই ধাপ এগিয়ে। পরপর ১৬টি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মায়াঙ্ক কোটি রুপি জিতে নিয়েছন। এরপরে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি।
যদি উত্তর সঠিক দিতে পারতো তাহলে সেই জিত সাত কোটি রুপি। মায়াঙ্ক জানিয়েছেন, আমার জ্ঞান কেবিসির মঞ্চে তুলে ধরতে পেরেছি আমি ভাগ্যবান। অমিতাভ স্যারের সাথে বসার সুযোগ পাওয়াটাই সব চাইতে বড় কথা। উনি আমাকে শুরু থেকে অনুপ্রাণিত করেছেন।
এইচএসসিতে পাশের হার শূন্য, তার পরেও চলে এসব কলেজ
দেশে এবারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় একজন পাশ করতে পারেনি ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। তার মধ্যে একটি হল ঢাকা আইডিয়া কলেজ।
অবস্থিত রাজধানীর উত্তর মুগদায় এশিয়ান আইডিয়াল কলেজে বুধবার গিয়ে দেখা গেল প্রতিষ্ঠানটির সামনে ডিজিটাল ব্যানারে ভর্তির বিজ্ঞাপন লেখা, সব শ্রেণি ও এইচএসসিতেও পাশের হার শতভাগ। তবে খোঁজ নিয়ে যানা গেল, এবার কলেজটি থেকে একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
সরেজমিনে দেখা গেল প্রতিষ্ঠানটির ভবনে তিনটি সাইনবোর্ড রয়েছে। একটিতে নাম এশিয়ান আইডিয়াল স্কুল। অন্যদিকে আরোও একটির নাম নাম এশিয়ান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। আরোও এক সাইনবোর্ড লেখা এশিয়ান আইডিয়াল কলেজ। অবশ্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নাম তালিকায় প্রতিষ্ঠানের এশিয়ান আইডিয়াল কলেজ।
একটা ভবনে চলে প্রতিষ্ঠানটিতে প্লে-গ্রুপ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো। অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নেসার আলী বলেন, ২০১০ সালে থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে এখন প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। তার দাবি, গত বছরে তাদের কলেজ থেকে মাএ নয়জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু সবাই পাশ করেছিলেন। কিন্তু মাঝে একাডেমিক স্বীকৃতিসংক্রান্ত অসুবিধার জন এ বছর পরীক্ষার্থী ছিলেন মাএ একজন। কিন্তু সমস্যাটি কেটে গেছে।
যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করতে পারেননি, এবার প্রতিষ্ঠানের ৯টা খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সেগুলোতে শিক্ষার্থী কম। এবং শিক্ষক সংকটে আছেন। তেমন একটা পড়াশোনা হয় না। কলেজ গুলো চলছে মূলত নাম কাওয়াস্তে।

